ইতিহাস

  • বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে চট্রগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত লক্ষ্মীপুর জেলা।
  • রহমতখালী নদীর উভয় পাড়ে বাঞ্চানগর মৌজার দক্ষিনাংশ পাশ্ববর্তী সাহাপুর, সমসেরাবাদ ও মজুপুর মৌজার কিছু অংশ নিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত।
  • সদর উপজেলার ০৫নং ইউনিয়নটি মরহুম নছির আহাম্মদ ভূঁইয়ার প্রস্তাবে বিগত ০১.০৯.১৯৭৬ইং তারিখে লক্ষ্মীপুর পৌরসভা স্থাপিত হয়।
  • “ক” শ্রেণীভূক্ত এই পৌরসভাটির বর্তমান আয়তন ২৭.০০বর্গ কি:মি:।
  • স্থায়ী-অস্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ২০০জন।
  • পূর্বে ১২টি ওয়ার্ড থাকলেও আবির নগর, লাহারকান্দি, আটিয়াতলী ও পশ্চিম লক্ষ্মীপুর মৌজার কিছু অংশ একীভূত হয়ে ১৫টি ওয়ার্ডে পরিণত হয়।
  • বর্তমানে মেয়র হিসাবে জনাব মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঞা ১ম বারের মত দায়িত্বে রয়েছেন।
  • পৌরসভার মালিকানাধীন পৌর সুপার ও হকার্স মার্কেট বর্তমানে প্রসিদ্ধ ব্যবসায়িক স্থান হিসাবে পরিণত হয়েছে।
  • শিশুদের জন্য আনন্দের একমাত্র উৎস লক্ষ্মীপুর পৌর শিশু পার্ক।
  • শহরের উপকন্ঠে হযরত আজিম শাহ (র:) মাজার সার্বজনীন ধর্মীয় স্থান হিসাবে পরিণত হয়েছে। উনার নামে ২০০০ সালে বর্তমান মেয়র মহোদয়ের আনুকূল্যে একটি নিম্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • পৌরসভার মেইন রোডে অবস্থিত শতাদ্বী প্রাচীন তিতা খাঁ জামে মসজিদটি শৈল্পিক কারুরুকাজ এবং দৃষ্টি নন্দনতার জন্য খ্যাতি আছে। বর্তমান মেয়র সাহেব উক্ত মসজিদটির যথেষ্ঠ সংস্কার করেছেন।
  • পৌর বাস টার্মিনাল লক্ষ্মীপুরের কেন্দ্রীয় বাস টারর্মিনাল হিসাবে পরিগনিত হচ্ছে।
  • ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বর্বর পাকিস্তানী হানাদার ও তাদের এ দেশীয় দোসররা শহরের মাদাম ব্রীজ, বাগবাড়ী ও মদিন উল্যা চৌধুরী (বটু চৌধুরীর) বাড়ীতে অবস্থান নিয়ে বহু লোক হত্যা করেছে।
  • বর্তমানে বাগবাড়ী ও মাদাম ব্রীজ এলাকায় ০৩ টি গনকবর সংরক্ষিত আছে।
  • পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ডে ২৫ একর ভূমির উপর ১৭৫৫ সালে জমিদার ব্রজবল্লভ রায় মানুষের সুপেয় পানির সংকট নিরসনের লক্ষেক্ষ একটি দিঘী খনন করেন। দৈর্ঘ্য-প্রস্থেও যে কোন এক প্রান্তেদাঁড়িয়ে অন্য প্রান্তে কুয়াশাময় মনে হয় বলে দিঘীটির নাম দেয়া হয় খোয়াসাগর দিঘী।
  • পৌরসভার মোট রাস্তার পরিমান ২০০ কি:মি:। তন্মধ্যে পাকা রাস্তা ১৬০ কি:মি:, কাঁচা রাস্তা ৪০কি:মি:। কাঁচা রাস্তা পৌর এলাকায় নাই বললেই চলে।
  • পৌরবাসীর সুপেয় পানির সংকট নিরসনে ০8টি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট চালু আছে। নতুন আরও কয়েটিটির ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট চালু অনুমোদন হয়েছে।

নিয়মিত পানির বিল পরিশোধ করুন * আপনার সন্তানকে টিকা দিন * আপনার শহর পরিচ্ছন্ন রাখুন * নিয়মিত পৌর কর পরিশোধ করুন